Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে । ফ্রি ফায়ার কে বানিয়েছে ? - Free Fire Game Success Story

Free Fire কোন দেশ তৈরি করেছে?

Free Fire কোন দেশ তৈরি করেছে?

Free Fire কোন দেশ তৈরি করেছে: বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় গেইমগুলির মধ্যে ফ্রিফায়ার গেইম একটি অন্যতম গেম। বিশেষ করে তরুন তরুণিদের কাছে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের লোকজন এই গেমটি খেলে থাকেন। বাংলাদেশ ও এর ব্যতিক্রম নয়।


বাচ্চাদের থেকে বয়স্কদের জন্য, প্রত্যেকে ফ্রি ফায়ার গেমটি খেলতে পারা যায়, এই গেমটি একটি আসক্তি থেকেও কম নয় কারণ একবার যদি কেউ এই গেমটি খেলতে আসক্ত হয়ে যায়, তবে অনেক প্রচেষ্টা করার পরেও তা ছাড়েনা, এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে এই যুদ্ধের রাইলে গেমসের কারণে বাচ্চারা তাদের জীবন শেষ করে। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

এই ব্লগ পোস্টে আপনি জানতে পারবেন কোন দেশের ফায়ার গেমটি, এটি কে তৈরি করেছে এবং এর মালিক কে? গ্রাফিক্স এবং বৈশিষ্ট্যগুলির বিবেচনায় গ্যারেনা ফ্রি ফায়ার তার প্রতিযোগী পিইউবিজি থেকে পিছনে রয়েছে এবং সম্ভবত সে কারণেই এটি ফ্রি ফায়ার ম্যাক্স মোবাইল গেম তৈরির জন্য কাজ করছে যা বৈশিষ্ট্য এবং গ্রাফিক্সের দিক থেকে খুব ভাল হবে।Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

 

আরো পড়ুন:


►► জীবনে ব্যর্থতার কারণ

►► কন্টেন্ট রাইটিং করে আয়

►► মোবাইল ফোনের দাম ২০২১ 

►► অনলাইন আয়ের সাইট 2021

►► অনলাইনে গল্প লিখে টাকা আয়

►► কিভাবে ফেসবুক পেজ খুলতে হয় 

►► সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা 

►► সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে করনীয় ?

►► বিবেকানন্দের শিক্ষামূলক বাণী 

►► অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে?

Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে?

ফ্রি ফায়ার গেমটি 111 ডটাস স্টুডিও দ্বারা নির্মিত হয়েছিল তবে গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপ স্টোর এ প্রকাশের কাজটি গেরেনা কোম্পানির উপর অর্পণ করা হয়েছিল, গ্যেনা সিঙ্গাপুরে সদর দফতর একটি অনলাইন গেম প্রস্তুতকারী, সুতরাং ফ্রি ফায়ার এছাড়াও সিঙ্গাপুর কান্ট্রি গেম। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

ফ্রি ফায়ার গেমটি নিয়ে লোকজনের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে, অনেকে মনে করেন এটি চীন থেকে খেলা তবে এটি মোটেও সত্য নয়, যদিও গ্যারেনা ফ্রি ফায়ারের সিইও ফরেস্ট লি, যিনি চীনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তবে পরবর্তীকালে সিঙ্গাপুরে এসেছিলেন এবং এখন তিনি সিঙ্গাপুর দেশের নাগরিক।

চীনে এমন অনেক ধনী ব্যক্তি আছেন যারা তাদের দেশ ছেড়ে অন্য কয়েকটি ভাল দেশে চলে যান এবং সেখানে কয়েক বছর অবস্থান করেন এবং একই দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, বেশিরভাগ উদ্যোক্তা, আমেরিকা বা সিঙ্গাপুরই সেরা জায়গা হ’ল ব্যবসা।

আপনার জন্য: সোনার দাম আজ কত ২০২১ বাংলাদেশ বাজার মূল্য  – Today Gold Price In Bangladesh

Free Fire এর মালিক কে?

ফরেস্ট লি ফ্রি ফায়ার মোবাইল ব্যাটাল রয়্যাল গেমের মালিক, এটি বলা আরও সঠিক হবে যে ফ্রি ফায়ার গেমের মালিক সি লিমিটেড সংস্থা, এই সংস্থার অধীনে গ্যেনা সংস্থা আসে, যার সদর দফতর সিঙ্গাপুরে অবস্থিত।

ফ্রি ফায়ার হ’ল একটি বিশাল খেলা যা সারা বিশ্ব জুড়ে কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে, কেবল সী লিমিটেড সংস্থা ফ্রি ফায়ার ছাড়াও আরও অনেক ধরণের গেম তৈরি করেছে, সী লিমিটেড একটি ডিজিটাল বিনোদন সংস্থা যা এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে হয়। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

অক্টোবর 2017 সালে, সি লিমিটেড প্রাইভেট সংস্থা নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছিল, এর পরে এটি এখন একটি পাবলিক সংস্থায় পরিণত হয়েছে যার অর্থ যে কোনও ব্যক্তি শেয়ার সংস্থার মাধ্যমে সেই সংস্থার শেয়ার কিনতে পারবেন, এবং এই কারণে ফোর্বস নামটি অফ ফরেস্ট লি সিঙ্গাপুরের শীর্ষ 50 জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

   পড়ুন: গেম খেলে সহজে টাকা আয়

 Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

ফ্রি ফায়ার কে বানিয়েছে?

ফ্রি ফায়ার গেমটি 111 ডটস স্টুডিও দ্বারা উত্পাদিত হয়েছিল, তারপরে এটি প্রকাশনা এবং বজায় রাখার দায়িত্ব ছিল গ্যারেনা কোম্পানির, 111 ডটস স্টুডিও গেমের প্রথম বিটা সংস্করণ তৈরি করেছিল, তারপরে গেমটি পুরোপুরি গ্যারেনা কোম্পানির অধীনে ছিল।

ফরেস্ট লি ফ্রি ফায়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং গারিনা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা, তাঁর বয়স ৪১ বছর, লিও নিজস্ব সংস্থা গঠনের আগে মটোরোলা কোম্পানিতে কাজ করেছিলেন, ফরেস্ট লি আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং এমবিএ করেছেন।

আপনার জন্য: মোবাইল ফোনের দাম ২০২১ বাংলাদেশ | নতুন মোবাইলের মূল্য তালিকা

ফ্রি ফায়ার গেমটি কখন প্রকাশিত হয়েছিল?

গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে ফ্রি ফায়ার গেমের আনুষ্ঠানিক প্রবর্তনের তারিখ 30 সেপ্টেম্বর 2017, যদিও গেমটির বিটা সংস্করণ ইতিমধ্যে এসে গেছে যা আলাদাভাবে এপিকে ডাউনলোড করে প্লে করা যায়। এই গেমটি অ্যাপ স্টোর এবং প্লে স্টোরে গারেনা সংস্থা প্রকাশ করেছে।

ফ্রি ফায়ার কত লোক খেলেন?

ফ্রি ফায়ার একটি খুব জনপ্রিয় খেলা যা সারা বিশ্ব জুড়ে খেলা হয়, রিপোর্ট অনুসারে, ফ্রি ফায়ার 2020 সালে 80 মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে, যদি এটি ভারতীয় উপায়ে জানা যায় তবে 10 মিলিয়নে 10 লক্ষ রয়েছে এটি 800 ফ্রি ফায়ার ব্যবহারকারী। F

 

আপনার জন্য: অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা  ইনকাম করা যায়? Kivabe Taka income Korbo

ফ্রি ফায়ার কি চিনা অ্যাপ? কেন নিষিদ্ধ করল না কেন্দ্র?

ফ্রি ফায়ার তৈরি করেছে সি লিমিটেড নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফরেস্ট লি-র জন্ম চিনে হলেও, তিনি এখন সিঙ্গাপুরের বাসিন্দা।

সাইবার নিরাপত্তার কারণে চিনের ৫৯টি মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এই তালিকায় নেই জনপ্রিয় গেম পাবজি ও ফ্রি ফায়ার। কারণ, এই দু’টি অ্যাপের মালিকানা চিনা সংস্থার নয়। পাবজি তৈরি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংস্থা। 


পরে সেই সংস্থার সঙ্গে হাত মেলায় চিনের একটি সংস্থা। ফ্রি ফায়ার তৈরি করেছে সি লিমিটেড নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফরেস্ট লি-র জন্ম চিনে হলেও, তিনি এখন সিঙ্গাপুরের বাসিন্দা। ফলে সংস্থাটিও সিঙ্গাপুরের। সেই কারণে নিষিদ্ধ অ্যাপের তালিকায় নেই ফ্রি ফায়ার।


পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর সংঘাতের পরেই অ্যাপ নিষিদ্ধ করার পথে হেঁটেছে কেন্দ্র। পাবজি ও ফ্রি ফায়ার নিষিদ্ধ হবে কি না, সেটা নিয়ে দেশজুড়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। 


শেষপর্যন্ত এই দু’টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়নি। ‘সারভাইভাল গেম’ ফ্রি ফায়ার এখনও প্লেস্টেশন, পিসি, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস-এ পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে এই গেম ডাউনলোডের সংখ্যা ৫০০ মিলিয়ন।  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে


গুগল প্লে স্টোর থেকে সহজেই গেমটি ডাউনলোড করতে পারছেন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে লাগছে ৪২ এমবি ডেটা। ব্যবহারকারীদের কাছে এই গেম অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

আপনার জন্য: বউকে নিয়ে রোমান্টিক মজার  কবিতা, উক্তি ও স্ট্যাটাস । Bou Niye Romantic Kobita


ফ্রী ফায়ার কে আবিষ্কার করেছে

ফ্রি ফায়ার তৈরি করেছে সি লিমিটেড নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফরেস্ট লি-র জন্ম চিনে হলেও, তিনি এখন সিঙ্গাপুরের বাসিন্দা।

  1. ফরেস্ট লি চীনে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং এটি স্পষ্টতই স্পষ্ট যে কোনও ব্যক্তির নামও সেই দেশ অনুসারে রাখা হয়, তাই ফরেস্ট লি-এর চীনা নাম জিয়াওডং।

  2. ফরেস্ট গাম্প সিনেমাটি দেখার পরে এই ইংরেজী নাম দিয়েছিলেন ফরেস্ট লি।

  3. ফরেস্ট লি বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি গেমিংয়ের ক্ষেত্রে কোটিপতি।

  4. ফরেস্ট লি তার জীবনে অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস দ্বারা সর্বাধিক প্রভাবিত ছিলেন, কলেজের সময় তিনি স্টিভ জবসের বক্তৃতায়ও অংশ নিয়েছিলেন।

  5. সিঙ্গাপুরে গেরেনা সংস্থা প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর স্ত্রীর অবদান রয়েছে।

  পড়ুন: সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা 

ফ্রি ফায়ার গেমের মারাত্বক সাইড ইফেক্ট

ভারতে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা যেভাবে বাড়ছে, একইভাবে মোবাইল গেমগুলির প্রবণতাও বাড়ছে, মোবাইল গেমগুলি মানুষের পক্ষে নতুন নয়, তারা দীর্ঘকাল ধরে চলছে তবে ফ্রি ফায়ার এবং পিইবিজি গেমের মতো যুদ্ধের রোয়েলে ভারতে একটি নতুন জিনিস ছিল এবং এই কারণে ভারতে এই গেমগুলি সবচেয়ে বেশি খেলা হয়। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

ফ্রিফায়ার গেইমটি নিয়ে যদি হালকা একটু ধারণা দেই তাহলে প্রথমেই বলি, এটি একটি ব্যাটল রয়্যাল গেইম। 

 

ব্যাটল রয়্যাল বা যুদ্ধক্ষেত্র গেইম। বুঝতেই পারছেন যুদ্ধক্ষেত্রে যেমন অস্ত্র, শস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত যে টিকে থাকে সেই জয়ী হয়, ফ্রিফায়ার গেইমটিতেও যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে সেই হবে বিজয়ী। 

 

ব্যাটল রয়্যাল গেইম হওয়ার কারণে এটি ছোটবড় সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়। অনেকেই ত পেশাদার গেইমার হওয়ার স্বপ্নও দেখছেন।

 

তবে অন্যান্য গেইমের মতো এই গেইমটিরও বেশ কয়েকটি বাজে দিক রয়েছে। মানে সাইড ইফেক্ট বা বিরুপ প্রভাব। মাঝে মাঝে এসব প্রভাব আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য অনেকটাই বাধাস্বরুপ হয়ে দাড়ায়।  

 

পড়ুন: তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম

 

🔷 নেশা হওয়া,

যেকোন গেইমে একটু অসচেতন হলে নেশা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আপনি একটি গেইম প্রতিদিন ২-৫ ঘন্টা খেলবেন অথচ নেশা হবে না সেটা একদম ভূল কথা। আপনি যদি একটি গেইম নিয়মিত খেলে থাকেন তাহলে অবশ্যই এর নেশায় পড়ে যাবেন। 

 

ফ্রিফায়ারও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ এই গেইমের নেশায় পড়ছে। কেউবা হয়ত এই গেইমটি থেকে বের হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। কারণ এই গেইমের ডেভেলপাররা এমনভাবে তৈরি করেছে যাতে যে কেউ সহজেই এর নেশায় পড়তে পারে। 

 

তাছাড়া বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, নেশা শুধুমাত্র মাদকে হতে পারে তা নয় অনলাইন গেইমেও হতে পারে। তাই একটু অসাবধান হলে আপনিও এর কবলে পড়ে যেতে পারেন। যেখান থেকে ফিরে আসাটা আসলেই অনেক কষ্টকর। 

 

  পড়ুন: ভালোবাসার শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস  

 

🔷 সময় নষ্ট হওয়া

অনলাইন গেইম খেলার পেছনে আমরা যতটা সময় ব্যয় করি ততটা সময় যদি আমরা প্রাকটিক্যাল কোন কাজে ব্যয় করতাম তাহলে আজ হয়ত এদেশের তরুণ সমাজ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারত। আমি লক্ষ করেছি যারা ফ্রিফায়ার গেইম খেলে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করে। তাদের সময়ের প্রতি কোন কাল ক্ষেপন থাকেনা। তাদের কাছে দিন যেমন রাতই তেমন। 

 

অনেকেই রাত তিনটা, চারটা পর্যন্ত ও খেলে  থাকেন। কেউবা হয়ত মূল্যবান পড়ার সময়েও খেলে থাকেন। প্রতিদিন যদি ফ্রিফায়ার গেইমে ৫ ঘন্টা করে সময় দেন তাহলে মাসে কত ঘন্টা? বছরে কত ঘন্টা এগুলো যদি কেউ হিসাব করত তাহলে হয়ত কখনও এত বেশি সময় ব্যয় করত না। 

 

তাই একটি গেইমের পেছনে এত সময় ব্যয় না করে অন্যকোন লাভজনক ব্যবসার প্রতি মনোনিবেশ করাটা অনেক লাভমান। 

 

  অবশ্যই পড়ুন: ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয়   

 

🔷 শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি

ফ্রিফায়ার গেইমের খারাপ দিকগুলোর মধ্যে এটি সবথেকে সেরা দিক। দীর্ঘ সময় ধরে ফ্রিফায়ার খেলার জন্য আপনার মস্তিষ্কে অনেক বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে। যা আগামী দিনগুলোতে আপনার জন্য অনেক বিপজ্জ্বনক হতে পারে। তাছাড়া চোখে সমস্যা, হাতের কবজিতে ব্যাথা, পিটের পিছন দিকের হাড়ে ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যাও স্থায়ীভাবে হতে পারে। 

 

সবথেকে অবাক করা তথ্য হলো: কেউ যদি সপ্তাহে ৬০ ঘন্টার মতো ফ্রিফায়ার বা যেকোন গেইম খেলে থাকে তাহলে তার মস্তিষ্ক বিকৃত হয়ে যেতে পারে বা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।

 

🔷 পিতামাতার অবাধ্য হওয়া  

অনলাইনে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরণের খবর দেখা যায় যেখানে স্পষ্টত লিখা থাকে গেইম খেলতে গিয়ে বাবাকে খুন, বাবার ব্যাংক ব্যালেন্স শুন্য করা, এছাড়া আরও কত কী। 

 

অনলাইন গেইম যারা খেলে থাকে তারা বেশিরভাই পিতামাতার অবাধ্য হয়। আগেই বলেছি ফ্রিফায়ার গেইম একটি নেশাযুক্ত গেইম। কেউ যদি ঘন্টার পর ঘন্টা গেইম খেলে তাহলে তার বাবা মা তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু নেশাপাগল হয়ে গেল কে কার কথা শুনে। 

 

বরং উল্টো রিয়েকশন করবে। অনেক সময় ঠান্ডা মাথায় গেইম খেলার জন্য কেউ কেউ  দরজা বন্ধ করে দেন,  বাবা মা ডাকতে ডাকতে ক্লান্ত হয়ে গেলেও ছেলে কান ও দেয় না। কারণ গেলেই গুলি খেয়ে মরতে হবে। এটাই এই গেইমের সবথেকে মারত্বক দিক। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

  পড়ুন: কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করবেন

 

🔷 যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা

ফ্রিফায়ার গেইমের আরেকটি খারাপ দিক হচ্ছে গেইম খেলার সময় কোন প্রকার যোগাযোগ করা যায় না। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

 

মানে ফোন নেটওয়ার্ক একেবারেই বিচ্ছিন্ন রাখতে হয়। কেউ যদি আপনাকে গেইমের ভিতর ফোন দেয় তাহলে  আপনি সেই কল রিসিভ করতে পারবেন না। কারণ রিসিভ করলেই নেট চলে যাবে, আর নেট চলে গেলে এনেমি আপনাকে মেরে ফেলবে। 

 

এত্তেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বেশিরভাগ মানুষ ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে গেইম খেলে, যাতে কেউ কল দিতে বা যোগাযোগ করতে না পারে। 

 

যা আসলেই অনেক কষ্টকর। যেমন দরুন হঠাৎ একটি বিপদ হয়েছে। কেউ হয়ত রাস্তায় এক্সিডেন্ট করেছে বা কোথাও কোন দূর্ঘটনা ঘটেছে তখন যদি আপনাকে ফোন দেয় তাহলে কি হবে? লোকটির মারা যাওয়া না ছাড়া আর কোন উপায় নেই। 

 

  পড়ুন: মোবাইল অ্যাপ থেকে  ইনকাম 

 

🔷 পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটা

পৃথিবীতে যত প্রকার গেম রয়েছে তার বেশিরভাগ প্লেয়াররা মূলত ছাত্র। ছাত্ররাই অনলাইন কিংবা অফলাইন গেইম সবচেয়ে বেশি খেলে থাকে। 

 

অনেক ছাত্র অকালেই গেইমে আসক্ত হয়ে পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ছে। অনেক ছাত্র রয়েছে যারা তাদের মূলবান সময়েও ফ্রিফায়ার গেইম খেলে থাকে। তাদের কাছে মনে হয় গেইম মানেই জীবন, গেইম তাদের সবকিছু। 

 

মনে করুন কেউ একজন পড়তে বসেছে। খুব মনোযোগ সহকারে পড়ছে। হঠাৎ তার বন্ধু ফোন দিয়ে গেইমে ডুকার কথা বলল। তখন কী আর পড়া সম্ভব ? বেশিরভাগই ত অপেক্ষা করে তার বন্ধুদের জন্য। তাছাড়া বাংলাদেশে অনেক ছেলেরা রাস্তাঘাটকেই গেম খেলার জন্য সবথেকে বেশি নিরাপদ জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে। 

 

অনেক ছেলেরা এই গেইমের জন্য কিন্তু পরীক্ষায় ফেল করতে হয়। তাছাড়া আরও অনেক উদাহারণ রয়েছে। Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

 

পরিশেষে

 

অনলাইন গেইম যদিও আমাদের বিনোদন দিয়ে থাকে, কিন্তু একটু অসচেতন হলে আমাদের জন্য অনেক হুমকি স্বরুপ। অনেক ছেলেরা ফ্রিফায়ার নামক গেইমের নেশায় পড়ে জীবনকে ধ্বংস স্তূপে পরিণত করেছে। তাই এসকল গেইম থেকে দূরে থাকুন। এবং আপনার ভাইবোন সন্তানকে নিরাপদ রাখুন। 

 

    অবশ্যই পড়ুন: গেম খেলে সহজে টাকা আয়


উপসংহার

তো বন্ধুরা আজকের নিবন্ধ Free Fire কোন দেশের গেম এবং এর মালিক কে? সম্পর্কিত আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নীচের মন্তব্য বাক্সে মন্তব্য করে আমাদের জিজ্ঞাসা করতে পারেন, এবং আপনি যদি মনে করেন যে এই পোস্টটি আজ আপনার সকলের জন্য উপকারী, তবে আপনি আমাদের ব্লগের আরও পোস্ট করতে পারেন।Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে

 

অবশ্যই পড়ুন:


►► পেপাল একাউন্ট খোলার নিয়ম 

►► শুভ জন্মদিন ভাই স্ট্যাটাস 

►► ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করবেন?

►► গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় 

►►সবচেয়ে বৃহত্তম দেশ কোনটি?

►►নিজের নামে রিংটোন তৈরি করুন

►►ভালবাসার শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস

►► লোকেশন কিভাবে বের করবেন?

►►ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করুন

 

 Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla  Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla 

 Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla Free Fire Game কোন দেশ তৈরি করেছে? - Free Fire Game Success Story in Bangla


Trick Bangla 24

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। ই-মেইলঃ trickbangla024@gmail.com

*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন