বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ । টয়লেটে প্রবেশের দু’আ - Bathrome Prabes Korar Doya

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা ।  টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা উচ্চারণ সহ, বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা, টয়লেটে প্রবেশের দু’আ, টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া,

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা উচ্চারণ সহ - টয়লেট হলো ময়লা বা নোংরা আবর্জনা অপসারণের স্থান। আর এই নোংরা টয়লেট হল দুষ্ট জিনদের আবাসস্থল। 

যখন একজন ব্যক্তি প্রস্রাব-পায়খানা করার জন্য টয়লেটে প্রবেশ করে এবং দোয়া না পড়ে, তখন এই দুষ্ট জিনগুলো মানুষের গোপন অঙ্গ নিয়ে খেলা করে। 

আর যারা নিজেদের প্রাকৃতিক চাহিদা পূরণের জন্য টয়লেটে ঢুকার আগে আল্লাহর সাহায্যের জন্য দোয়া পাঠ করে, তখন দুষ্ট জিনরা তাদের দেখে না।

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা উচ্চারণ সহ

আমি আগে গোসলের সুন্নত তরিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, আপনি যদি নাপাক হয়ে থাকেন, গোসলের আগে বিসমিল্লাহ পাঠ করা সুন্নত, এখন বাথরুমে ঢুকে যেহেতু বিসমিল্লাহ পাঠ করা নিষেধ, তাই বাথরুমে প্রবেশের আগে কুলি করে নিবেন।

 

এরপর আপনি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ে বাথরুমে প্রবেশ করতে পারবেন। মনে রাখবেন কুলি করা ছাড়া নাপাক অবস্থায় বিছমিল্লাহ পড়া বা জিকিরে এলাহি পাঠ করা মাকরুহে তানজিহি আর মাকরুহে তানজিহি বলা হয় যে কাজ শরীয়ত অপছন্দ করে তবে কেহ যদি সে কাজ করে ফেলে তাহলে সে গুনাহগার হবে না। তাই উত্তম হল কুলি করার পর বিছমিল্লাহ পড়ে বাথরুমে প্রবেশ করবেন।

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা 

★★বাথরুম/ টয়লেট/শৌচাগার ব্যবহার করার নিয়মাবলীঃ-

★★বাথরুমে প্রবেশ করার সময় প্রথমে দোয়া পড়ে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করতে হয় ।

বাথরুম/টয়লেট /শৌচাগারে প্রবেশ করার সময় দোয়া পাঠ করা সুন্নাত। কারণ বাথরুমে শয়তান জ্বীন থাকে ।

★★হযরত আনাস ইবনে মালিক (রজিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন এই দোয়া পাঠ করতেন,

টয়লেটে প্রবেশের দু’আ

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা উচ্চারণ সহ, বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা, টয়লেটে প্রবেশের দু’আ, টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া, বাথরুমে প্রবেশ করার দ

★★টয়লেটে প্রবেশের দু’আঃ-

★★উত্তরاللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ। অর্থ: “হে আল্লাহ্! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি- যাবতীয় দুষ্ট জিন ও জিন্নী থেকে।”

★★[আল-লু’লুউ ওয়াল মারজানঃ প্রথম খণ্ড, হাদীছ নং ২১১, মুসলিম শরীফ ৭১৫।]

★★শৌচাগার থেকে বের হওয়ার সময় প্রথমে ডান পা দিয়ে বের হতে হয় আর ‘غفرانك’ (গুফরানাকা) বলা সুন্নাত।

★★ হযরত আয়েশা (রজিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সাঃ) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন তখন বলতেন, “হে আল্লাহ ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

★★টয়লেট থেকে বের হওয়ার দু’আ

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা

غُفْرَانَكَ উচ্চারণ: গুফরানাকা অর্থ: “তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!”

★★[সহীহু সুনানি আবীদাঊদঃ প্রথম খণ্ড, নং-২৩, মেশকাত শরীফ, নং-৩৩২।]

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া হলোঃ

আরবিঃ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﻧﻲ ﺍﻋﻮﺫﺑﻚ ﻣﻦ ﺍﻟﺨﺒﺚ والخباءث

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী আউজুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ।

বাংলা অর্থঃ হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট পুরুষ ও স্ত্রী শয়তানের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই। -(সহীহ বুখারী)

টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া

সঠিকভাবে এবং নিরাপদে পায়খানা ও প্রস্রাব শেষ করার পর মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এই কাজ করতেন এবং তাঁর উম্মতদেরকেও তা করতে বলেছেন। টয়লেট থেকে বের হয়ে নিন্মের দোয়াটি পাঠ করুন-

আরবীঃ

– غُفْرَانَكَ الْحَمْدُ لِلهِ الَّذِيْ اَذْهَبَ عَنِّيْ الْاَذَى وَعَافَانِيْ.

উচ্চারণঃ ‘গোফরানাকা আল-হামদুলিল্লাহিল্লাজি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া আফানি।’

অর্থঃ ‘(হে আল্লাহ!) আপনার কাছে ক্ষমা চাই। সকল প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য; যিনি ক্ষতি ও কষ্টকর জিনিস থেকে আমাকে মুক্তি দিয়েছেন।’

 

বাথরুমে প্রবেশের সময় বাম পা আগে রাখবেন। ডান পা দিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করবেন না।

 

গোসল করে পাক হতে হয় অনেকে মনে করে গোসল করে কলমা পাঠ না করা র্পযন্ত নাপাকি থেকে পাক হবে না, এটা একটা ভুল ধারনা বরং পাক হওয়ার জন্য আপনি গোসলের ৩টি ফরয আদায় করে নিলেই যথেষ্ট। 

 

আর ৩টি ফরয হল (১) গড়গড়া সহ কুলি করা, (২) নাকে এতটুকু পরিমান পানি পৌঁছানো যেন নাকের ভিতরের শক্ত হাড্ডী পর্যন্ত পানি পৌঁছে এবং (৩) মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সারা শরীরে কমপক্ষে ১ বার পানি প্রবাহিত করে দেয়া। এখন আপনি যদি এ ৩টি ফরয আদায় না করে সারাদিন কালমা পাঠ করতে থাকেন তবুও আপনি নাপাক থেকে যাবেন।

 

বাথরুমে প্রবেশের পর কোন ধরনের জিকির দোয়া পাঠ করা যাবে না। কেননা এটা জিকিরের স্থান নয়। এমনকি বাথরুমে সতর খোলার পর জিকিরে এলাহি করাতো দুরের কথা বরং কোন ধরনের কথাবার্তা বলাও নিষেধ, 

 

কারন মানুষ যখন সতর খুলে তখন মানুষের সাথে থাকা ফেরেশতারা লজ্জার কারনে সেখান থেকে দুরে সরে যায়, কিন্তু যখন মানুষ কথা বলতে থাক তখন ফেরেশতা ফিরে আসে, 

 

আর ফেরেশতা এসে যদি দেখে সে লোক ওয়াশরুমে সতর খোলা অবস্থায় কথা বলছে তখন ফেরেশতারা কষ্ট পায়। অনেকে ওয়াশরুমে ঢুকে গান গাইতে থাকে চিৎকার করতে থাকে, কথা বলতে থাকে যা ফেরেশতাদের কষ্টের কারন হয়।

 

ওয়াশরুমে প্রবেশের পর সতর খোলার পর কেবলার দিকে মুখ করা কিংবা কেবলার দিকে পিট করা উভয়ই নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ। সুতরাং ওয়াশরুমে প্রবেশের পর যদি সতর খোলা থাকে তখন খেয়াল রাখবেন আপনার ডানে কিংবা বামে যেন কেবলা হয়। 

বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া বাংলা 

আপনার সামনে কিংবা পিছনে যেন কেবলা না হয়। এখন আপনার ওয়াশরুমের শাওয়ার যদি এমন ভাবে স্থাপিত যে আপনার কেবলার দিকে মুখ বা পিঠ করতে হয় তখন আপনি প্রয়োজনে বালতিতে পানি নিয়ে গোসল করবেন কিংবা সরাসরি কেবলার দিকে না ফিরে কোনাকোনি করে দাঁড়াবেন। মোটামোটি আপনার সম্মুখ ও পিছন দিক যেন কাবা ঘরের দিকে না হয়।

 

অতএব সারাংশ হল ফরয গোসলের জন্য বাথরুমে ঢুকার আগে কুলি করে বিসমিল্লাহ পাঠ করে নিবেন, কুলি ছাড়া বিসমিল্লাহ পড়বেন না।  বাম পা দিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করবেন।


বাথরুমে কোন ধরনের জিকির দোয়া পাঠ করবেন না। বাথরুমে কোন ধরনের কথাবার্তাও বলবেন না। ফরয গোসল করে পাক হওয়ার জন্য কলমা পাঠ করতে হবে এমন ধারনা ভুল। ওয়াশরুমে সতর খোলা অবস্থায় কিবলার দিকে মুখ ও পিঠ করবেন না


টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া

সঠিকভাবে এবং নিরাপদে পায়খানা ও প্রস্রাব শেষ করার পর মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এই কাজ করতেন এবং তাঁর উম্মতদেরকেও তা করতে বলেছেন। টয়লেট থেকে বের হয়ে নিন্মের দোয়াটি পাঠ করুন-

আরবীঃ

– غُفْرَانَكَ الْحَمْدُ لِلهِ الَّذِيْ اَذْهَبَ عَنِّيْ الْاَذَى وَعَافَانِيْ.

উচ্চারণঃ ‘গোফরানাকা আল-হামদুলিল্লাহিল্লাজি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া আফানি।’

অর্থঃ ‘(হে আল্লাহ!) আপনার কাছে ক্ষমা চাই। সকল প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য; যিনি ক্ষতি ও কষ্টকর জিনিস থেকে আমাকে মুক্তি দিয়েছেন।’

 

বাথরুমে প্রবেশের সময় বাম পা আগে রাখবেন। ডান পা দিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করবেন না।

 

গোসল করে পাক হতে হয় অনেকে মনে করে গোসল করে কলমা পাঠ না করা র্পযন্ত নাপাকি থেকে পাক হবে না, এটা একটা ভুল ধারনা বরং পাক হওয়ার জন্য আপনি গোসলের ৩টি ফরয আদায় করে নিলেই যথেষ্ট। 

 

আর ৩টি ফরয হল (১) গড়গড়া সহ কুলি করা, (২) নাকে এতটুকু পরিমান পানি পৌঁছানো যেন নাকের ভিতরের শক্ত হাড্ডী পর্যন্ত পানি পৌঁছে এবং (৩) মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সারা শরীরে কমপক্ষে ১ বার পানি প্রবাহিত করে দেয়া। এখন আপনি যদি এ ৩টি ফরয আদায় না করে সারাদিন কালমা পাঠ করতে থাকেন তবুও আপনি নাপাক থেকে যাবেন।

 

বাথরুমে প্রবেশের পর কোন ধরনের জিকির দোয়া পাঠ করা যাবে না। কেননা এটা জিকিরের স্থান নয়। এমনকি বাথরুমে সতর খোলার পর জিকিরে এলাহি করাতো দুরের কথা বরং কোন ধরনের কথাবার্তা বলাও নিষেধ, 

 

কারন মানুষ যখন সতর খুলে তখন মানুষের সাথে থাকা ফেরেশতারা লজ্জার কারনে সেখান থেকে দুরে সরে যায়, কিন্তু যখন মানুষ কথা বলতে থাক তখন ফেরেশতা ফিরে আসে, 

 

আর ফেরেশতা এসে যদি দেখে সে লোক ওয়াশরুমে সতর খোলা অবস্থায় কথা বলছে তখন ফেরেশতারা কষ্ট পায়। অনেকে ওয়াশরুমে ঢুকে গান গাইতে থাকে চিৎকার করতে থাকে, কথা বলতে থাকে যা ফেরেশতাদের কষ্টের কারন হয়।

 

ওয়াশরুমে প্রবেশের পর সতর খোলার পর কেবলার দিকে মুখ করা কিংবা কেবলার দিকে পিট করা উভয়ই নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ। সুতরাং ওয়াশরুমে প্রবেশের পর যদি সতর খোলা থাকে তখন খেয়াল রাখবেন আপনার ডানে কিংবা বামে যেন কেবলা হয়। 

 

আপনার সামনে কিংবা পিছনে যেন কেবলা না হয়। এখন আপনার ওয়াশরুমের শাওয়ার যদি এমন ভাবে স্থাপিত যে আপনার কেবলার দিকে মুখ বা পিঠ করতে হয় তখন আপনি প্রয়োজনে বালতিতে পানি নিয়ে গোসল করবেন কিংবা সরাসরি কেবলার দিকে না ফিরে কোনাকোনি করে দাঁড়াবেন। মোটামোটি আপনার সম্মুখ ও পিছন দিক যেন কাবা ঘরের দিকে না হয়।

 

অতএব সারাংশ হল ফরয গোসলের জন্য বাথরুমে ঢুকার আগে কুলি করে বিসমিল্লাহ পাঠ করে নিবেন, কুলি ছাড়া বিসমিল্লাহ পড়বেন না।  বাম পা দিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করবেন।


বাথরুমে কোন ধরনের জিকির দোয়া পাঠ করবেন না। বাথরুমে কোন ধরনের কথাবার্তাও বলবেন না। ফরয গোসল করে পাক হওয়ার জন্য কলমা পাঠ করতে হবে এমন ধারনা ভুল। ওয়াশরুমে সতর খোলা অবস্থায় কিবলার দিকে মুখ ও পিঠ করবেন না

Desclamer: Quara 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url