ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা । ভূতের কাহিনী বাংলা - Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প । ভয়ংকর ভুতের গল্প

ভয়ংকর ভুতের গল্প
ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা - bhuter galpo bhooter golpo : আপনাদের হাসি খুশি রাখতে এই ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী গুলি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। এগুলি বাচ্ছাদের সংঙ্গেও একসাথে পড়তে পারেন কারণ পোস্ট গুলি সুম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার ও কোনো খারাপ শব্ধ ব্যবহার করা হয়নি। তাই পড়তে থাকুন ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

আরো পড়ুন:

►► ফ্রি টাকা ইনকাম ২০২২

►► জীবন নিয়ে বিখ্যাত উক্তি 

►► বাংলা মাসের কত তারিখ আজ 

►►  হাত কাটা পিকচার ডাউনলোড 

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় 

►► নতুন মোবাইল ফোনের দাম ২০২২

►► শুভ সকালের সুন্দর ছবি ও কবিতা

৮ হাজার টাকার মধ্যে মোবাইল ফোন

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প

ভয়ংকর ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

আজ আমি ষ্টেশনের ভুতের গল্প তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি। আশা করছি এই হাড়হিম করা ভুতের গল্প তোমাদের ভালো লাগবে। [BANGLA VUTER GOLPO]

ভিখারী ব্রাহ্মণ ও ব্রহ্মদৈত্য গল্প

ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

এক দরিদ্র ভিখারি ব্রাহ্মণ নগরের এক প্রান্তে স্ত্রীকে নিয়ে কুঁড়েঘরে বাস করে। সারাদিন ঘুরে ভিক্ষে করে রাতে স্বামী-স্ত্রী সেই ভিক্ষের পয়সায় চাল-ডাল এনে ফুটিয়ে খায়। এইভাবেই তাদের দিনগুলি কেটে যাচ্ছিল । 

 

এমনি একদিন দরিদ্র ব্রাহ্মণ ভিক্ষা করতে করতে উপস্থিত হল সেই নগরের জমিদারবাড়িতে। দরিদ্র ব্রাহ্মণ প্রতিবেশীদের মুখে শুনেছিল বর্তমান জমিদার খুব ভাল। সেই আশায় দরিদ্র ব্রাহ্মণ আজ কাছারিবাড়িতে এসেছে। এক ঘর লোক কাছারিঘরে চিৎকার করে কথা বলছে, কৌতূহলী হয়ে দরিদ্র ব্রাহ্মণ কাছারিঘরের সামনে গেল, শুনতে

 

Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

 

পেল একজন বলছে, ‘নগরের উত্তর প্রান্তে বড় অশ্বত্থ গাছ থেকে ব্ৰহ্মদৈত্য মাঠে নেমে আসে। অনেকদিন আগে একবার নাকি নগরের এক ব্যক্তি বাজি ধরে রাতের বেলায় সেই অশ্বত্থ গাছের তলায় যায়। ফলে যা হওয়ার তাই হল, ব্রাহ্মদৈত্য তাকে গাছের নীচে মেরে ফেলল।'

 

জমিদার এসব শুনে বলল, 'ঠিক আছে, যে ব্যক্তি রাতে একা গিয়ে ওই অশ্বত্থগাছের একটি ডাল ডেঙে আনতে পারবে, আমি তাকে দুশো বিঘা জমি দেব।'

 

দুশো বিঘা জমির আশায় উপস্থিত সকলেরই চোখ চক্‌চক্ করে উঠল, কিন্তু কার এত সাহস আছে যে রাতের অন্ধকারে ওই অশ্বত্থগাছের তলায় যায়! সবাই চুপ করে যে যার বাড়িতে ফিরে গেল। 

 

এদিকে গরিব ব্রাহ্মণ বাড়িতে ফিরে ভাবছে, ‘যদি একবার অশ্বত্থ গাছের একটা ডাল ভেঙে আনা যায়, তাহলে আর এত কষ্ট করে সারাদিন ঘুরে ভিক্ষা করতে হবে না। আর যদি তা না হয় তবে ব্রহ্মদৈত্যের হাতে তাকে প্রাণ দিতে হবে। এইভাবে বেঁচে থাকার চাইতে মরে যাওয়া অনেক ভাল।'

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভয়ংকর ভুতের গল্প

এইসব ভেবে পরদিন সকালে গরিব ব্রাহ্মণ জমিদারের সঙ্গে দেখা করে বলল, ‘মহাশয়, যদি অনুমতি দেন তবে আজ রাতেই আমি অশ্বত্থগাছের ডাল ভাঙতে যাব।' জমিদার ব্রাহ্মণের কথায় আকাশ থেকে পড়লেন। তারপর সামলে নিয়ে বললেন, ঠিক আছে, তুমি যদি অশ্বত্থ ডাল ভেঙে ফিরে আসতে পারো, তবে আমি তোমাকে দুশো বিঘা জমি দেব৷’

 

উপস্থিত জনতা ব্রাহ্মণের কথা শুনে হোঃ হোঃ করে হেসে উঠে বলল, ‘বুড়ো বয়সে বীরত্ব দেখাতে যাচ্ছ, না, মরতে যাচ্ছ? কত বীরপুরুষ দেখলাম।'

 

আর একজন বলে উঠল, ‘বুড়োর দশা ওই খেপা বামুনের মতোই হবে দেখবেন।'

 

কাছারি থেকে দরিদ্র ব্রাহ্মণ বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রীকে সমস্ত ঘটনা বলল । ব্রাহ্মণের একা অশ্বত্থ তলায় যাওয়ার কথা শুনে ব্রাহ্মণী কান্না জুড়ে দিল, তারপর স্বামীর পায়ে হাত রেখে বলল, 'তুমি যদি অশ্বত্থতলায় যাও তবে আমার মরা মুখ দেখবে।' 

 

ব্রাহ্মণীর কথায় ব্রাহ্মণ একটু বিচলিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তার পরিকল্পনা থেকে সরে দাঁড়াল না। গভীর রাতে যখন ব্রাহ্মণী গভীর নিদ্রায় মগ্ন তখন সন্তর্পণে ব্রাহ্মণ কুঁড়েঘরের বাইরে বেরিয়ে এল। তারপর ঈশ্বরের নাম নিয়ে অশ্বত্থতলার উদ্দেশে হাঁটতে লাগল। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার, জনমানবশূন্য রাস্তাঘাট, ব্রাহ্মণের গা ছম্‌ছম্ করে উঠল। 

 

কদমতলায় যাওয়ার পর ব্রাহ্মণের আর পা চলছিল না, ঠকঠক করে কাঁপছিল, মনে মনে ভগবানের নামজপ করছিল। কদমতলা থেকে অশ্বত্থ তলা এখনও সিকি মাইল দূর। ব্রাহ্মণের মনে হচ্ছিল, এই বুঝি ভূতেরা তার গলা টিপে মেরে ফেলবে। তার মনে হচ্ছে চোখের সামনে হাজার ভূত নৃত্য শুরু করে দিয়েছে ।

 

ওই কদমগাছে থাকত এক ব্রাহ্মদৈত্য, সে গাছের ডালে বসে তীক্ষ্ণ নজরে ব্রাহ্মণকে দেখছিল । ব্ৰহ্মদৈত্যটি ছিল খুব ভাল, ‘ব্রাহ্মণকে এইভাবে গাছের নীচে ঠঠক করে কাঁপতে দেখে তার মনে মায়া হল, গাছ থেকে নেমে ব্রাহ্মণের সামনে এসে ব্রহ্মদৈত্য নরম সুরে বলল, ‘এত রাতে তুমি এখানে কী করছ?’

 

ব্রাহ্মণ এতক্ষণ চোখবন্ধ করে কী দুর্গার নাম জপ করছিল, মানুষের মতো কণ্ঠস্বর শুনে চোখ খুলে যেই না দেখল তার সামনে বিটক এক ব্রহ্মদৈত্য দাঁড়িয়ে আছে, সে তখন চিৎকার করতে যাচ্ছিল, ব্ৰহ্মদৈত্য ব্রাহ্মণের মুখে হাতচাপা দিয়ে বলল, 'তোমার কোনও ভয় নেই, আমি তোমার কোনও ক্ষতি করব না।'

 

ব্রাহ্মণ ব্রহ্মদৈত্যর কথা বিশ্বাস করে তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলল । সব কিছু শুনে ব্ৰহ্মদৈত্য বলল, ‘ও, এই ব্যাপার! ঠিক আমি আছে, তোমাকে অশ্বত্থতলায় নিয়ে যাচ্ছি।'

 

এই বলে ব্রহ্মদৈত্য ব্রাহ্মণকে অশ্বত্থতলায় নিয়ে গেল, তারপর ব্রহ্মদৈত্য বলল, ‘এবার তুমি তোমার পছন্দমতো ডাল ভেঙে নাও।'

 

যেই না ব্রাহ্মণ গাছের ডালে হাত দিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে একশো ভূত গাছ থেকে লাফিয়ে ব্রাহ্মণকে ধরল। ব্রাহ্মণের অবস্থা তো তখন দেখার মতো, চোখ বন্ধ করে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে লাগল, ভূতেরা ব্রাহ্মণকে এই মারে তো সেই মারে! 

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভয়ংকর ভুতের গল্প

ব্রহ্মদৈত্য এবার ব্রাহ্মণের কাছে এগিয়ে গিয়ে ভূতদের উদ্দেশে বলল,

 

দেখো, তোমরা এই দরিদ্র ব্রাহ্মণের ক্ষতি কোরো না।' 

 

দাদাঠাকুরের গলার শব্দে ভূতেরা চমকে উঠে বলল, ‘দাদাঠাকুর, আপনি?’

 

‘হ্যা, আমিই একে নিয়ে এসেছি, এ ভীষণ গরিব ।' এই বলে ব্রহ্মদৈত্য ভূতেদের কাছে ব্রাহ্মণের বাজি ধরার কথা বলল।

 

সব শুনে ভূতেরা মিলিত কণ্ঠে বলল, ‘দাদাঠাকুর, আমরা বুঝতে পারি নি যে, আপনার সঙ্গে এসেছে, আমরাই ভেঙে দিচ্ছি ডাল,' এই বলে ভূতেরা অনেকগুলো ডাল ভেঙে ব্রাহ্মণের হাতে দিল।

 

ব্রাহ্মণ খুশি হয়ে অশ্বত্থ ডালগুলো নিয়ে সেই রাতেই উপস্থিত হল জমিদারবাবুর বাড়িতে। রাত তখন প্রায় শেষ প্রহর। জমিদারবাবু নাক ডেকে ঘুমুচ্ছিলেন। ব্রাহ্মণের চিৎকারে জমিদারবাবুর ঘুম ভেঙে গেল। বাইরে বেরিয়ে ব্রাহ্মণকে ডাল কাঁধে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বিরক্ত হয়ে বললেন, 'কি ব্যাপার, এত রাতে চিৎকার করছ কেন?’

 

ব্রাহ্মণ বিগলিত স্বরে বলল, ‘জমিদারবাবু, আমি আমার কথা রেখেছি, এই সেই অশ্বত্থ ডাল।'

 

জমিদারবাবুর চক্ষু ছানাবড়া হয়ে গেল, আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমিদার লোকলশকর নিয়ে উপস্থিত হলেন সেই অশ্বত্থতলায়, সত্যি সত্যিই দেখলেন বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের কাঁধের ডালগুলো এই অশ্বত্থ গাছেরই ডাল।

 

জমিদারবাবু ব্রাহ্মণের সাহসের প্রশংসা করতে লাগলেন। বললেন, ‘হে দরিদ্র ব্রাহ্মণ, আজ থেকে জানলাম, আমার এই নগরের সেরা সাহসী ব্যক্তি তুমি, আমার প্রতিশ্রুতি মতো তোমাকে দুশো বিঘা জমি উপহার দিলাম।'

 

ব্রাহ্মণ খুশি হয়ে দুশো বিঘা জমি দেখতে গিয়ে দেখল জমিতে ধান সব পেকে গেছে, সোনালি আলোয় চারদিক ঝলমল করছে, কিন্তু এত ধান কাটার পয়সা দরিদ্র ব্রাহ্মণ পাবে কোথায়? ধান খেতের পাশে বসে গালে হাত দিয়ে ভাবতে লাগল। মনে পড়ে গেল, সেই ব্রহ্মদৈত্যর কথা! সেদিন সন্ধেবেলা আবার উপস্থিত হল বকুলতলায়। ব্রহ্মদৈত্য বকুলগাছ থেকে নেমে এসে বলল, 

 

‘কী হে ব্রাহ্মণ, আবার কী বাজি ধরেছ?’

 

ভয়ংকর ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

কৃতজ্ঞবিত্তে দরিদ্র ব্রাহ্মণ বলল, 'আপনার জন্য আমি দুশো বিঘা জমির মালিক হয়েছি ঠিকই, তবে ওই জমিতে সব ধান পেকে গেছে, সেই ধান তোলার মতো আর্থিক ক্ষমতা আমার নেই, তাই আপনার শরণাপন্ন হলাম। ব্রহ্মদৈত্য বলল, ‘এই ব্যাপার? তার জন্য এত ভাবনা কীসের? তুমি আজ রাতে একশো কাস্তে এই গাছের নীচে রেখে যেও, 

 

আগামীকাল ভোরে ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পাবে তোমার বাড়ির চারদিকে গোলা ভর্তি ধান রাখা আছে।'

 

সেদিন রাতেই ব্রাহ্মণ বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাস্তে জোগাড় করল। একসময় একশো কাস্তে বকুলগাছের নীচে রেখে বাড়িতে ফিরে এল।

 

মধ্যরাতে ব্রহ্মদৈত্য একশো ভূতকে ডেকে বলল, “শোনো সবাই, দরিদ্র ব্রাহ্মণ তোমাদের সহযোগিতায় আজ বড়লোক হয়েছে । সে তার জন্য তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে গেছে। মানুষ হলেও দরিদ্র ব্রাহ্মণ অকৃতজ্ঞ নয়। এখন কাজের কথা হল, যে দুশো বিঘা জমি সে পেয়েছে, তার সব ধান পেকে গেছে। ব্রাহ্মণের আর্থিক অবস্থা নিতান্ত ই খারাপ, তাই আমাদের মধ্যে একশোজন গিয়ে সেই ধান তুলে দিয়ে আসতে হবে।'

 

দলের সকলে বলল, “দাদাঠাকুর, আপনি যা বলবেন তাই হবে।' ‘তবে তোমরা আজ রাতে এই একশো কাস্তে নিয়ে জমির সমস্ত ধান কেটে দরিদ্র ব্রাহ্মণের গোলা ভর্তি করে দাও।'

 

একশো ভূত দাদাঠাকুরের আদেশে কাস্তে নিয়ে জমির ধান কাটতে লাগল ।

 

দুশো বিঘা জমির ধান তুলতে তাদের সময় লাগল মাত্র কয়েক ঘণ্টা। আসলে মানুষেরা যে কাজ সাতদিনে করে, ভূতেরা সেই কাজ কয়েক ঘণ্টায় শেষ করে দেয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জমির সমস্ত ধান নিপুণ হস্তে কেটে ব্রাহ্মণের গোলা ভর্তি করে দিল। 

 

পরদিন প্রত্যুষে ব্রাহ্মণের ঘুম ভেঙে গেলে উঠোনে দেখে সারি সারি ধানের গোলা। ব্রহ্মদৈত্যর প্রতি কৃতজ্ঞতায় দরিদ্র ব্রাহ্মণের চোখে জল এসে গেল, মনে মনে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করল, ‘হে ঈশ্বর, ওই পাপাত্মাকে মুক্তি দিয়ে পুনরায় মানুষরূপে পাঠাও, এ তো পরোপকারী মানুষ, যে ধার্মিক রূপে পরিচিত হবে।'

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প 

আরো পড়ুন:

►► ফ্রি টাকা ইনকাম ২০২২

►► জীবন নিয়ে বিখ্যাত উক্তি 

►► বাংলা মাসের কত তারিখ আজ 

►►  হাত কাটা পিকচার ডাউনলোড 

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় 

বাংলা ভূতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভয়ংকর ভুতের বাস্তব কাহীনি

পর্ব -১

টনাটি আমার সাথে গত কয়েক বছর যাবত গটে চলছে। এমন কি আজ ১০/৪/২০ ইং তারিখে যখন আমি এ কাহিনীটি লিখছি তখনো আমি এ ভুতের অত্যাচারে আজ ও প্রায়  অতিষ্ঠ। সব সময় ভয়ে থাকি এই বুজি ভুত এলো। আমার উপর আচর শুরু হলো।/

 

 

ভূতের কাহিনী বাংলা

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

গটনার সুত্র পাত ২০০৭ সাল। যদিও আমার তা কোন মাস ছিলো তা মনে নেই, তবে এ টুকু মনে আছে  তখন কেয়ারটেকার সরকার ফখরুদ্দিনের সাসন চিলো।  এবং বর্তমানে আমরা যে ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যাবহার করছি তা ফখরুদ্দিনই চালু করেছিলো।

 

সে দিন এই আইডি কার্ডের ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন চিলো। অর্থাৎ যিনি এই আইডি কার্ডের ফরমের দায়িত্বে চিলেন তিনি চিলেন আমাদের হাই স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষক। তিনি আমাকে রাত প্রায় ৮.০০ বাজে, হটাৎ দেখা হওয়াতে বল্ল যে, তোমার জানামতো জদি কেউ ফরম সংগ্রহ থেকে বাধ পড়ে থাকে তা হলে আগামি কাল ১০ টার মধ্য যদি তা না জমা দেয় তা হলে তার আইডি কার্ড হবেনা। আগামী কালই শেষ তারিখ পরম জমা দেওয়ার।

 

হটাৎ আমার মনে পড়লো আমার মায়ের ফরমতো এখনো জমা দেওয়া হয়নি। তা চাড়া মা তো মামার বাড়ি। আর মামার বাড়ি আমাদের গ্রাম থেকে প্রায় ২০ কিমি দুরে। তার উপরে ফরমে মায়ের সাক্ষর চাড়া জমা দিলে ফরম গেরান্টেড হবেনা। বাকি আছে শুধু একটি রাত।কারন ফরম জমা দিতে হবে সকাল ১০টার মধ্য।

 

তাই আর দেরি না করে , আমার চাচাতো বোনের জামাই কে নিয়ে রাত্রেই একটি সাইকেল নিয়ে মামার বাড়ির উদ্দেশ্য রওয়ানা দিলাম ফরমে মায়ের সাক্ষররের জন্য।  

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভয়ংকর ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

রাত নয়টায় রওয়ানা দিলাম আমরা দু,জন।

বিশ কিমি পথ সাইকেল চালিয়ে যেত হবে। কিছুক্ষন আমি চালালাম, কিছুক্ষন আমার সাথে যাকে নিয়ে গেলাম সে চালাল। 

 

আমার সাথে যাকে নিয়ে গেলাম সে আমার চাচাত বোনের জামাই , অর্থাৎ সম্পর্কে আমার দুলাভাই। তার নাম কাউসার,  আমরা তাকে কাউসার ভাই বলে ডাকতাম। তাই তাকে কাউসার নামেই এ লেখাটিতে পরিচয় দিব , আপনাদের বুজার সুবিদার্থে।

 

রাত প্রায় ১১ টায় মামার বাড়িতে পৌচালাম। এবং কাজ শেষ করে যখন ফিরতে যাব তখন রাত প্রায় ১২.৪৫।  

 

দু,জনে রওয়ানা হলাম। কিছুক্ষন আমি সাইকেল ডাবলিং করলাম, কিছুক্ষন কাউসার ভাই।

 

আমাদের গ্রাম থেকে মামার বাড়িতে যাইতে হলে মাজ পথে একটা মাঠ পড়ে। অনেকে বলে পাণ্থর  বা বিল। এই বিলের মাজখান দিয়ে প্রায় ১.৫ কিমি রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। এই রাস্তাটি এতো বেশি ভয়ংকর যে দিনের বেলাতেও লোক জন এই রাস্তাদিয়ে চলা চল করতে ভয় পায়। আবার এই রাস্তার মাজ খানে, অর্থাৎ বিলের মাজ খানে রয়েছে একটি বাঁসের সাকু,  সাকু পার হলে তার পাড়েই রয়েছে প্রায় হাজার বছরের পুরুনো একটি কড়ই' গাছ। 

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

লোকে বলে এই গাছেই নাকি ভুতেরা বসবাস করে। দিনের বেলাতেও মানুষকে এরা ধোকা দেয়, কারন এই পথটাতে মানুষ একেবারে বিপদে না পড়লে চলাচল করে না।  রাতের বেলাতেতো চলাচল করেইনা। কারন,  এই পথটার অনেক ইতিহাস আছে।  কয় দিন পর পর  এই সাকুর নিছে মানুষের লাশ পাওয়া যেত । আর যাদের লাষ পাওয়া যেত ,তাদের পরিচয় ও খুজে পাওয়া যেত না। 

 

অনেকে বলে দুর দুরান্ত থেকে ডাকাৎ দলেরা বা কারো সাথে কারো সত্রুতা আছে এমন লোকদের  তারা ধরে এনে রাতের বেলা এখানে তাদের হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দিয়ে চলে যেত।

 

যাক সাইকের চাপতে চাপতে যখন এই বিলের ভিতর ডুকলাম তখন রাত প্রায় ১.২০/২৫।  এই মাঠটি বা এই রাস্তাটি যে এতো ভয়ংকর তা কাউসার ভাই জানতো না । কারন, তার গ্রাম অন্য খানে।   সে মাজে মাজে দু,চার দিনের জন্য বেড়াইতে আসে। 

 

বিলের রাস্তা ধরে সাইকের চালাইতে লাগলাম।তখন কাউসার ভাই সাইকেল চালাচ্ছে আর আমি পিচনে বসে আছি। আমার ভিতরে ভিতরে খুব ভয় হচ্ছিল।কিন্তুু কাউসার ভাইকে কিছু বুজতে দিলাম না কারন সে ভয় পাইলে মুসকিল আরো ভাড়বে। 

 

তবে  চোট বেলা থেকেই আমি এই ভুত-পেত্নিকে পাত্তা দিতামনা বিস্বাষ ও করতাম না তাই ভয় ও করতাম না। শুধু ভয় চিলো কোন ডাকাৎ দল বা খারাপ মানুষ যদি আমাদের এখানে নিরিবিলি পেয়ে ক্ষতি করে তা নিয়ে। 

 

কিচ্ছুক্ষন পর যখন সাকুর কাছে পৌচালাম তখন একটু ভয় কেটে গেলো, কারন ডাকাত রা এখানেই বেশির ভাগ থাকে তাই যখন দেখলাম এখানে কোন মানুষ নাই এজন্য ভয়টা একটু কমেগেলো। তবে যে কড়ই' গাছটি তা সাকুর ঔ পাড়েই ,যেখানে জ্বিন ভুতের বাসা বলে সবাই জানে। তবে তা নিয়ে আমার ভিতরে কোন ভয় চিলোনা, কারন এগুলোকে আমি বিশ্বাশ করতাম না।

 

যাই হোক এখন, সাকু দিয়ে আগে সাইকেল পার করতে হবে।

আবছা অন্ধকার, তবে আমাদের সাথে গ্যাস লাইট চিলো যার পিচনে লাইট চিলো। মোটা মোটি চলা যায়। 

 

আমি সাইকেলের সামনে ধরলাম কাউসার ভাই সাইকেলের পিচনে ধরলো। দু'জনে আস্তে আস্তে সাইকেল নিয়ে সাকু পার হতে থাকলাম।

 

যখন সাকুর মাজখানে আসলাম তখনি সাকু ভুমিকম্পের কতো নড়তে শুরু করলো। প্রথমে আমি ভাবলাম কাউসার ভাই আমাকে ভয় পাওয়ানোর জন্য সাকু নাড়াচ্ছে। তাই আমি রেগে গিয়ে তাকে বল্লাম , আপনি কি করছেন সাইকেল সহ এখন সাকুর নিছের পড়ে যাবোতো। 

 

আমার কথা শুনে কাউসার ভাই বল্ল ,আমি সাকু নাড়াতে যাব কেন?  আমি তো ভাবছি তুই নড়াইতেছত।

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo
ভুতের গল্প

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

দু, জনে সাকুর মাজখানে দাড়িয়ে রইলাম সাইকেল আর সাকুর হাতল শক্ত করে ধরে। তখনো সাকু নড়তেছে যেন সাকু ভেংগে আমাদের সহ নিছে পড়ে যাবে। দু,জনেই বুজতে পারলাম কি হচ্ছে। শুধু নড়াচড়া বন্ধ হয়ার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছি। 

 

প্রায় দুমিনিট পর যখন সাকু নড়া বন্ধ হলো তখন কাউসার ভাইকে বল্লাম আপনি সাইকের চেড়ে দেন আর দ্রুত পাড়ে আসেন। আমি একাই সাইকেল নিয়ে দ্রুত পাড়ে আশলাম। যখন পাড়ে আসলাম অমনি কড়ই গাছের উপরে যেন হটাৎ সিডর শুরু হলো। প্রতিটা ডাল যেন আমাদের উপর গাছ সহ ভেংগে ফড়বে। ভয়ে আমরা দু,জনেই জ্ঞান হারা হয়ে যাবার উপক্রম। কি করবো ভেবে পাচ্ছিনা।

 

হটাৎ মনে হলো এখান থেকে আগে যতো দ্রুত সম্বব সরে যাওয়াই উত্তম। তাই কাউসার ভাইকে বল্লাম আপনি সাইকেলের পিচনে বসেন,  আমি চালাচ্ছি। সে দ্রুত সাইকেলে বসলো আর আমি জীরনের দিকে আর তাকালাম না সাইকেল চালালাম না প্নেন চালালাম বলতে পরবো না। ১০ মিনিটে আমাদের গ্রামের বাজারে এসে পৌচালাম ,তখন রাত ৩ টার কাচাকাছি।

 

পরবর্তিতে যা হলো তা তো আরো মারাত্তক।২য় পর্বে তা আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। 

ভালো থাকুন প্রতিদিন ব্লগের সাথে থাকুন।

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

Bhuter Galpo 

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

আরো পড়ুন:

►► ফ্রি টাকা ইনকাম ২০২২

►► জীবন নিয়ে বিখ্যাত উক্তি 

►► বাংলা মাসের কত তারিখ আজ 

►►  হাত কাটা পিকচার ডাউনলোড 

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় 

ভয়ংকর ভূতের গল্প

ভূতের কাহিনী বাংলা

আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগের কথা। রাত তখন প্রায় ৮.০০। বৈশাখী পুর্নিমা রাত। আমাদের গ্রামটি শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি ভিতরে। গ্রামে তখন ধান কাটার সময়। কৃষকেরা ধান কেটে মাড়িয়ে খড় শুকিয়ে জায়গা জায়গায় স্তুুপ দিয়ে রেখেছে। আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।প্রচন্ড গরম তার উপরে বিদ্যুতের লাইনে সমস্যার কারনে দুদিন গ্রামের সবকটি লাইনে কারেন্ট নাই।

তাই আমাদের গ্রামের দিগির পাড় নামক স্হানে বাতাস খাইতে গেলাম। যদি ও এই দিঘির পাড় অর্থাৎ সিতারাম দিঘি নিয়ে অনেক কাহিনি মুরব্বিদের মুখে শুনেছি তবু ও রাত মাত্র ৮.০০ বিধায় মনে তেমন কোন ভয় ভিতি কাজ করেনি। 

Bhuter Galpo Bhooter Golpoভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

আশে পাশে অনেক মানুষ তারা ও দক্ষিনা শিতল হাওয়ায় শরির টাকে একটু শিতল করার জন্য আমার মত হয়তো হাওয়া খেতেই এসেছে। পুর্নিমা রাত, চাঁদের আলোতে খড়ের স্তুুপ গুলো অনেক সুন্দর লাগছিল। আমি একা একা দক্ষিন দিকে মুখ করে একটি খড়ের স্তুুপে শুয়ে চিলাম।  চার দিকেই মানুষ তাই নির্ভয়ে আর শিতল বাতাসের কারনে কখন যে গুমিয়ে পড়েছি বলতে পারবো না।

 

যখন ঘুম ভাংলো তখনো ঘড়ির দিকে তাকাই নি।  ভাবলাম সময় বেশী হয়নি। আসলে পুর্নিমা রাতের চাঁদের আলো এতো বেশী চিল যে সময় টা কে দেখা প্রয়জন মনে হয়নি।

  

হটাৎ আমার সামনে দিয়ে সাদা পান্জাবি পরা এক লোক হেটে  গেলো।  লোকটা যাওয়ার কিছু সময় পর তার গায়ের সেন্ট আমার নাকে লাগলো।  অনেক সুন্দর গ্রান।  প্রথমে মনে করেছি হাওয়া খেতে আসা কেউ হয়ত,  কিছুক্ষন  পর আমার শরির টা কাঁটা দিয়ে ভয় ভয় একটা ভাব লাগলো। মনে হলো কয়টা বাজে একটু দেখি গড়ির দিকে আমি আরো ভয় পেয়ে গেলাম। রাত ৩.০০ টা। আশে পাশে কেউ নেই।   সিতারাম দিঘির পাড়ে রাত তিন টায় একা একা।  

 

প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেছি । বাড়ি ও অনেক দুরে, তার উপরে  হিন্দুদের চিৎল খোলা ( কবর স্হান) দিয়ে  যেতে হবে। কি করবো বুজতে পারছিলাম না।  যতোই চিন্তা করচি ততোই ভয় বাড়তে লাগলো।  চারদিকে কোন মানুষের চিন্হ নাই।  

 

ভাবলাম দৌড় দিয়ে চলে যাব কিন্তুু চিতল খলার কথা মাথায় আসাতে সাহস পাইনি। ভয়ে কেঁদে দিলাম। হটাৎ  দিঘির পুর্ব পাড়ে গাছের ডাল ভাংগার একটা বিকট আওয়াজ আসলো। আরো ভয় পেলাম। মনে হচ্ছ চাঁদের আলো অন্ধকারে রুপ নিচ্ছে।  মনেমনে আল্লাহর সাহায্য পার্থনা করতে লাগলাম আর ভয়ে থরথর করে কাঁপতে লাগলো সারাশরির যেন ভার হয়ে আসছে।

 

হটাৎপিচন দিকে কারো কাশির আওয়াজ শুনতে পেলাম। পিছনে তাকিয়ে মনে অনেক সাহস পেলাম। আমাদের পাশের বাড়ির রুস্তম কাকা। হাতে একটি ব্যাগ,  পরনে সাদা লুংগি। সাধারনত কাকা এই পোষাকেই বেশী পরে থাকেন,বিষেশ করে কোথাও গেলে। হাতে ব্যাগ নিয়ে আমার পিছনে কাশতে কাশতে এসে আমাকে ধমকাইতে লাগলো  আর এতো রাতে এখানে কি করি তাজনে চাইলো।

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

Bhuter Galpo Bhooter Golpo

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

আমি সব কিছু খুলে বলাতে সে আমাকে আমাদের বাড়িতে নিয় দিয়ে আসলো। বলেরাখা প্রয়জন রুস্তম কাকা কুমিল্লায় থাকে একটা স্কুলে মাষ্টারি করে মাসে দু এক বার বাড়িতে আসে, সে দিন ও কুমিল্লা থেকে আসছিল বলে আমাকে জানিয়ে চিল।

 

বাড়িতে এসে আল্লাহর সুকরিয়া আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরে রুস্তুম কাকাদের বাড়িতে যাই কারন তার সাথে দেখা না করাটা খারাপ দেখায়। গত রাতে সে যদি সময় মত না আসতো তা হলে ভয়ে হয়তো মরেই যেতাম, তাই মানবতার ভিবেচনায় তার সাথে দেখা করতে তার বাড়িতে যাই। বাড়িতে গিয়ে আরো অবাক হই, কারন কাকা নাকি সে রাতে বাড়িতেই আসে নাই।

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

আজো ঔ রাতের কথা মাথায় আসলে নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনা। আজো মনে হয় রুস্তম কাকার বেশে কে আমাকে বাড়িতে পৌচে দিয়ে গেলো।

 

দর্শক গনের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, যদি এই রকম গল্প আরো পড়তে চান তাহলে লেখাটির উপরে ডান পাশে একটি পেইজবুক লিংক আছে।লিংকে কিল্ক করলে ব্লগের নামে একটি পেইজ আসবে উক্ত পেইজে  লাইক দিলে আমরা এব্লগে যা চাড়বো তা আপনি পেইজ বুকের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। আর সম্ভব হলে শেয়ার করে আপনার ন্ধুদেরকে ও গল্প গুলো পড়ার সুযোগ করে দিবেন।

 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা

 

 

আরো পড়ুন:

►► ফ্রি টাকা ইনকাম ২০২২

►► জীবন নিয়ে বিখ্যাত উক্তি 

►► বাংলা মাসের কত তারিখ আজ 

►►  হাত কাটা পিকচার ডাউনলোড 

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় 

ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা

জকের গল্পটি নিছক গল্প নয় সত্য ঘটনা।ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে সবেমাত্র ডিগ্রিতে নটরডেম কলেজে ভর্তি হয়েছি। উঠতি মাস্তান বোহিমিয়ান। ধরাকে সরা জ্ঞান করা স্বভাবদোষে পরিনত হয়ে গিয়েছিল। সবার চাইতে একটু বেশী বোঝা অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করায় ছিল রাজ্যের আনন্দ। 

সবার মধ্যেই এই জাতীয় উপসর্গ গুলি এক সময় বাসা বাধে সময়ের প্রবাহে শিক্ষা, জ্ঞান ও পারিপার্শ্বীকতায় ক্রমেই দোষগুলি কাটতে থাকে। অ…তি সাধারন যারা তাদের মধ্যেই এই সকল দোষের প্রাধান্য একটু বেশী লক্ষ করা যায় । 

 

তাই আমার দোষের অন্ত ছিল না। এর মধ্যেই অবিশ্বাষীর দলে নাম লিখিয়ে ফেলেছি, ধর্মের চুলচেরা বিষ্লেশন শুরু করেছি। এলাকারবাঘা বাঘা ধর্ম বিশ্বাষীকে বির্তকের জালে আটকে শিষ্যত্ব বরণে বাধ্য করেছি। 

 

তবে আমার ভেতর একটা ছন্নছাড়া ভাব সবসমায় কাজ করত তাই একটি বিষয়ের মধ্যে নিজেকে বেশীদিন আটকে রাখতে পারতাম না। বিষয় ভেদে চালাতাম পরিক্ষা নিরিক্ষা যতদিন ভাল লাগত ততদিন। কিন্তু গুনি মানুষ গুলির বচন ছিল সম্পুর্ন ভিন্ন। তারা বলতেন চর্চা, চর্চা ও চর্চা ছাড়া কোন বিষয়কে আয়ত্ব করা যায় না। 

ভয়ংকর ভুতের গল্প

কে শোনে কার কথা নিজের ইচ্ছার কাছে সমস্ত বিষয় গুলিকে বলি দিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছি। জীবনযুদ্ধে যারা সফল সেই রকম কেউ আমার কাছে এলে একটি দু:খবোধ যেন আমাকে ছুয়ে যায়। 

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

তা ছাড়া বিন্দাস আছি।বিশ্বাসের ধারাটা এখন একটু পাল্টেছে আল্লার অস্তিত্ব এখন আর অস্বীকার করতে পারি না। যুক্তি ও তর্কের মধ্যে আল্লার অস্তিত্ব বার বার উপলদ্ধি করি। তবে প্রচলিত ধর্মগুলিতে বিশ্বাসনেই। মানুষে মানুষে প্রভেদ খুজে পাই না। সবার মাঝেই মানবিক দোষগুন গুলি প্রত্যক্ষ করি। তাই ধর্ম দিয়ে মানুষকে ভাগ করাকে নিরঅর্থক মনে হয়।

 

যে ঘটনাটা বলতে যাচ্ছি তার সাথে উপরিউল্লেখিত বিষয় গুলির একটি সর্ম্পক আছে বিধায় বলতে হলো। আমার এক বন্ধু নাম ধরুন রফিক ক্লাস ফাইভ থেকেইবন্ধুত্ব বছর দুয়েক হলো ওর বাবা গত হয়েছে। বড়ভাই হওয়ার সুবাদে স্বভাবতই ওর কাধেই সংশারের যোয়ালটা নেমে এসেছিল।

 

 মা দুবোন তিন ভাইএর সংশার। বাবা মারা যাবার পর ওদের সংশারে নেমে এসেছিল নিদারুন দু:খকষ্ট যা নাকি ওকে বাধ্য করেছিল পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে চাকুরীতে লাগতে। ও মট্রিক পাশ করে পাটকলের সুপার ভাইজার হিসাবে ঢুকেছিলসেই কবে আজও ঐ একই চাকরীতে লেগে আছে। কোন উন্নতিও নেই অবনতিও নেই। বোন দুটির বিয়ে দিয়েছিলো কিন্তু কপাল দোষে দুজনেই ওর কাধে বোঝা হয়ে ফিরে এসেছে যার যার সন্তানসহ। 

 

আমি বরাবরই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করি না। রফিক তখনও বিয়ে করেনি। এক শুক্রবার আমার বাসায় এসে ও আমাকে বলল দোস একটু বিপদে পড়েছি। আমি বললাম র্নিদিধায় বল আমার পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব আমি করব। ও যাবলল তা শুনে আমার মনে হলো ও মানশিক ভাবে সুস্থ কি না। জিন ভুত এগুলির অস্বিস্ত কোনটাই বিশ্বাস করি না। 

 

ওর বক্তব্য অনুযায়ী রাতে ঘুমুতে গেলেই কে বা কারা যেন ওদের টিনের দেয়ালে খামাখাই জোরে জোরে আচর কাটতে থাকে যারফলে ঘুমানোটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কোন প্রকার সংগত কারন ছাড়াই ঘটনাটি গত এক মাস ধরে রোজ রাতেই ঘটছে। আমি বললাম ও’কে আজ রাতে আমি তোর সাথে তোদের বাসায়গিয়ে থাকব।

 

 একটি হকিষ্টিক ও টর্চলাইটের ব্যাবস্থা করে রাখিস। আমিসময়মত পৌছে যাব। রাত দশটা নাগাদ রাজ্যের রাজকর্ম সেরে ওদের বাসায় গিয়ে পৌছালাম। 

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

ওদের বাসাটা শহরতলীর প্রায় শেষ প্রান্তে অবস্থিত রাস্তার উপরে একটি দোতালা বাড়ী তার পেছনে পনারবিশ গজ ফারাকে ওদের সর্ম্পুন টিনের ঘড়টি হালকা গাছগাছালীতে ঢাকা ওদের বাড়ীর পেছনে আর কোন বাড়ী নেই ঢাকার ভাষায় তখন সেই অঞ্চলকে নামা বলত(নীচু ফসলের জমি ও খাল বিলের সমারোহ)।

 

রাতের খাবার খেয়েই রাত বারোটা নাগাদ আমরা দুই বন্ধু ফ্লোরে বিছানা করে শুয়ে পড়লাম রফিক বললো লাইট নিভানোর পড়েই শুরু হবে অত্যাচার। আমাকে আরো বললো এমনিতে কোন ভয় নেই এপর্যন্ত কোন ক্ষতিকরেনি শব্দ করা ছাড়া। 

 

লাইট নেভানোর সাথে সাথেই শুরু হয়ে গলে ভুতের খেলা। আমি আর রফিক লাইট জালিয়ে হকিষ্টিক ও টর্চ হাতে বেড়িয়ে পড়লাম বাড়ীর চারপাশটা ঘুরে দেখে মনের কোনে লুকিয়ে থাকা সন্দেহটাও আর রইল না। বাড়ীটার পাঁচ গজের মধ্যে কোন গাছের ডাল পর্যন্ত নেই যে বাতাসে তা টিনের দেয়ালে টক্কর খেয়ে এজাতীয় শব্দ হবে। মনে মনে কিছুটা দমে গেলাম। 

 

এ কেমন খেলা রফিককে বললাম তুই ঘড়ে ঢুকে লাইট নিবিয়ে দিয়ে শুয়ে পর আমি একটু পর আসছি। ও ঘরে ঢুকে দরজাটা ভিজিয়ে দিয়ে শুয়ে লাইটটা নিভিয়ে দিতেই আবার শুরু হলো একই শব্দ এবার সত্যি সত্যি ভয় পেয়ে গেলাম আশে পাশে জনমানুষের কোন উপস্থিতি নেই তবুও শব্দটা আসছে। এমন ভয় জীবনে কখনো পেয়েছিলাম বলে আমার পড়েনা। 

 

তাই তাড়াতাড়ি ঘড়ে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম। সকালে কাউকে কিচ্ছুটি না বলেই চলে এলাম আর অনাবরত মনে একটি প্রশ্নই উদয় হতে থাকলো কারন ছাড়া এটা ঘটতেই পারে না কিন্তু করানটা কি? পৃথিবীর সমস্ত নামকরা নামকরা মনোবিজ্ঞানীদের কেস হিষ্ট্রি গুলো পড়ে যাচ্ছি যুতসই কোন উত্তরই খুজে পাচ্ছি না। 

 

দুবছর পর উত্তর বেড়িয়ে এল পশ্চিম বাংলা বিজ্ঞান পরিষদের সভাপতিপ্রবির ঘোষের লেখা বইটি থেকে। বইটির নাম ভুলে গেছি।সাথে সাথেই রফিককে একান্তে ডেকে নিয়ে বলেছিলাম দোছ আওয়াজ তোমার ঘড়ের ভিতর থেকেই কেউ করছেযে তোমাদের দায়িত্বহীনতায় তোমাদের উপর ক্ষেপে গিয়ে এসব করে তোমাদের উপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। 

 

যদি আমার কথা বিশ্বাস কর তো তুমি তোমার দুই বোনকে যেভাবেই হোক তাদের সংশারে ফিরে যাবার ব্যাবস্থা কর তাহলেই আমার বিশ্বাস তুমি এ নরক যন্ত্রনা থেকে রেহাই পাবে।এরপর রফিক মাসখানেক দেন দরবার করে ওর বোনের স্বামীদের সাথে একটি আপোশ রফায় এসে বোনদের স্বামীর বাড়ী পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে সেই ভুতও আর ওদের জ্বালায়নি।

ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo
Bhuter Galpo
ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo
Bhuter Galpo
ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo
Bhuter Galpo
ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo
Bhuter Galpo Bhooter Golpo
ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, ভুতের গল্প, Bhuter Galpo Bhooter Golpo, Bhuter Galpo Bhooter Golpo

সমাপ্ত

আরো পড়ুন:


►► জীবনে ব্যর্থতার কারণ

►► কন্টেন্ট রাইটিং করে আয়

►► মোবাইল ফোনের দাম 2022

►► অনলাইন আয়ের সাইট 2022

অনলাইনে গল্প লিখে টাকা আয়

কিভাবে ফেসবুক পেজ খুলতে হয় 

►► সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা 

সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে করনীয়?

স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষামূলক বাণী 

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প vভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প ভুতের গল্প, ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা, ভূতের কাহিনী বাংলা, bhuter galpo, bhooter golpo, ভৌতিক গল্প, ভূতের বই, ভয়ংকর ভুতের ছবি, বাংলা ভূতের গল্প

 


 



Trick Bangla 24

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। ই-মেইলঃ trickbangla024@gmail.com

*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন