ব্লক চেইন টেকনোলজি কি এবং বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ? - What is Bitcoin Bangla

ব্লক চেইন টেকনোলজি কি এবং কিভাবে কাজ করে?

ব্লক চেইন টেকনোলজি কি এবং কিভাবে কাজ করে?

 

তথ্য স্থানান্তর ও তথ্য সংরক্ষণের জন্য বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো ব্লক চেইন টেকনোলজি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে বিশ্বব্যাপী চলছে প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন আলোড়ন আর এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে আলোচনায় রয়েছেন ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 


ব্লক চেইন হলো তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি এই পদ্ধতিতে তথ্য একটির পর একটি চেইন আকারে বিভিন্ন ব্লকের সংগ্রহ করে প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কোন কার্য পরিচালনা রেকর্ড করা যেতে পারে।


এটা এমন একটি বন্টনযোগ্য ডাটাবেসে যাতে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর মধ্যে সব লেনদেনের তথ্য নথি আকারে রাখা যায়। প্রতিটি লেনদেন আবার সিস্টেমের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা যাচাই করা হয়। একবারে লেজারে কোন তথ্য প্রবেশ করলেন স্থায়ীভাবে তা থেকে যায় এবং কখনো মুছে ফেলা যায় না ব্লকচেইন একটি একক লেনদেনের যাচাইযোগ্য রেকর্ড নিয়ে গঠিত হয় এই প্রযুক্তি নির্ভুল ভাবে কাজ করে এবং বিভিন্ন কাজে এটি প্রয়োগ করা হয়।


আরো পড়ুন:

►► ফ্রি টাকা ইনকাম ২০২২

►► জীবন নিয়ে বিখ্যাত উক্তি 

►► বাংলা মাসের কত তারিখ আজ 

►►  হাত কাটা পিকচার ডাউনলোড 

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায় 

►► নতুন মোবাইল ফোনের দাম ২০২২

►► শুভ সকালের সুন্দর ছবি ও কবিতা

৮ হাজার টাকার মধ্যে মোবাইল ফোন

ব্লক চেইন টেকনোলজি কি এবং কিভাবে কাজ করে?

মোট কথা ব্লক চেইন হলো ব্লকের চেইন যেমন একটি ব্লকের সাথে আরেকটি ব্লক সুংযুক্ত করে এবং ওই ব্লকের সাথে আরেকটি ব্লকের সংযুক্ত করে যেমন চেইন আকারে তৈরি হয় একটিকেই ব্লক চেইন বলে। এক একটি ব্লকের মধ্যে মূলত অনেক ইনফোরমেশ থাকে। যেমন বিট কইন ব্লকে মূলত ট্রানজেকশনের ইনফরমেশন থাকে।

 

ব্লক চেইন টেকনোলজির ধারনা

ব্লক চেইন টেকনোলজি আইডিয়াটি সর্বপ্রথম হাজার ১৯৯১ সালের দিকে প্রকাশ করেন স্টার্ট হার্বার এবং স্কট ডোনেট ২০০৪ সালে প্রোগ্রামাররা এটি নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে নেটওয়ার্ক সুরক্ষা এবং ডাটা ট্রান্সফার ক্ষেত্রে ব্লক চেন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।


 আমাদের বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিরোধী দলের নানান ধরনের কারচুপির অভিযোগ থাকে নির্বাচন নিয়ে। আমরা যদি ব্লক চেইন এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করি তাহলে এই সমস্যার একটি সমাধান হতে পারে কিন্তু এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে ভোট দেয়ার সময় যেন কোন ধরনের চালাকি না হয়।


ব্লক চেইন টেকনোলজির কিভাবে কাজ করবে??

কে কাকে কত বিট কইন প্রধান করল তা এই ব্লক চেইনে সংরক্ষণ করা  থাকে। এবং কোনো রকম খারাপ লোক বা হ্যকার ধারা এই তথ্য গুলো পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। কারণ প্রতিটি ব্লকের একটি ইউনিক হ্যাশ থাকে। ধরুন হ্যাকার দুই নাম্বার ব্লকের তথ্য পরিবর্তন করেছে। যখন এই ব্লকটির তথ্য পরিবর্তন করা হয় তখননি এক ব্লকের সামনে থাকা আরেক ব্লকের হ্যাশ টির সাথে মিলবে না। 


যদি হ্যকার  তৃতীয় ব্লকটিতে থাকা দ্বিতীয় ব্লকের হ্যাশটিও পরিবর্তন করে তাহলে চতুর্থ ব্লকে থাকা তৃতীয় ব্লকের হ্যাশের সাথে মিলবে না। এইভাবে সম্পূর্ণ চেইনটি একটি আরেকটির সাথে সংযুক্ত। আর এই সম্পূর্ণ চেইনটিকে হ্যাক করা  ক্র্যাক করা প্রায় অসম্ভব। কারণ এই কাজটি খুব তারাতাড়ি করতে হয়। 


কিন্তু বিট কয়েন নেটওয়ার্কে একটি ব্লক তৈরি করতে এবং সংশোধন করতে দশ মিনিটের সময়ের প্রয়জোন। যার ফলে বিট কইন নেটওয়ার্কটি এত নিরাপদ। এই পদ্ধতিকে আরো নিরাপদ করতে বি টু পি সিস্টেম যুক্ত করে। এর মাধ্যমে যে কেউ এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারে। 


প্রত্যেক মাইনরের কাছে একটি ফুল ব্লক চেইনের কপি থাকে এবং অন্য মাইনরদের সাথে সাথে সেও তার এই ব্লগ চেইনের কপিটাকে আপডেট করবে। নতুন কোন ট্রানজেকশন কমপ্লিট হলে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড থাকা সকল কম্পিউটারের ব্লক চেইনে এটা অপডেট হয়ে যায়। 


বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মাইনর রয়েছে একসাথে সবগুলো ব্লক আপডেট করে তা সকল মাইনরদের ব্লক চেনের রিপ্লেস করা অসম্ভব। এ পদ্ধতিটি ডাটা সংরক্ষণ এবং ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে অনেক বড় একটি ভূমিকা রাখতে পারে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে এটি নিয়ে কাজ শুরু করেছে দেশের দুর্নীতি কমানোর জন্য এবং জনগণের তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য এই প্রযুক্তির শুধুমাত্র অর্থনৈতিক লেনদেন এর জন্যই প্রযোজ্য নয় বরং সব কাজেই ব্যবহার উপযোগী করতে কাজ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। যে মিছিলের সামনের সারিতে থাকতে চায় বাংলাদেশ। ব্লকচেইন অলিম্পিয়ার বাংলাদেশ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে এক কথা জানান আমাদের তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

 

বিভিন্ন খাতে ব্লক চেইন টেকনোলজি

বর্তমানে ব্লক চেইন টেকনোলজির সবচেয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবহারটি হয় ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে ব্যাংক লেনদেন করলে এবং নেটওয়ার্কে সিকিউর করলে ব্যাংকের অনেকাংশেই হ্যাকিং থেকে বাঁচতে পারবে ব্লকচেইন এর আরো একটি বড় ব্যবহার হতে পারে স্বাস্থ্যসেবায় ব্লক চেইন এর মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্য খাতে অনেক উন্নতি করা যেতে পারে যেমন 


প্রতিটি মানুষের শারীরিক সকল তথ্য যদি সবসময় স্টোর করা হয় আপনি কয়বার ডাক্তারের কাছে গিয়েছেন এবং আপনার শরীরে আগে কোন কোন ধরনের অসুখ ছিল এসব তথ্য দেখলে ডাক্তার খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং স্বাস্থ্য খাতের সকল ডাটা ব্লক চেইনে মাধ্যমে স্টোর করা যেতে পারে। ব্লক চেইনে আরো অন্যতম একটি ব্যবহার হল ডাটা স্টোর এট মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ডাটা স্টোর করা যায় যা অসংখ্য অগণিত।


ব্লকচেইন খুব নতুন একটি প্রযুক্তি তেমন এর উন্নতির সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশের বা বিশ্বের ভালো কিছু আশা করতেই পারি। ব্লকচেইন নিয়ে আপনার মতামত অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।



আরো পড়ুন:

►► জীবনে ব্যর্থতার কারণ

►► কন্টেন্ট রাইটিং করে আয়

►► অনলাইন আয়ের সাইট 2022

অনলাইনে গল্প লিখে টাকা আয়

কিভাবে ফেসবুক পেজ খুলতে হয় 

সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে করনীয়?

মোবাইল ফোনের দাম 2022

►► অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

বিবেকানন্দের শিক্ষামূলক বাণী

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url